করোনাকালে বাংলাদেশে গণমাধ্যম

বর্তমান বাংলাদেশসহ প্রায় বিশ্বের সব দেশ এখন আতঙ্ক মধ্যে আছে। গত বছর ২০১৯সালে নভেম্বর মাসে চীনের ‘উহান’ শহর পুরো বিশ্বের ছড়িয়ে পড়ে। করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ নামে ভাইরাসটি কারণে পুরো পৃথিবী এখন আতঙ্ক মধ্যে রয়েছে।

করোনভাইরাস বা কোভিড ১৯ কারণে বিশ্বের সব দেশের গণমাধ্যম কর্মীদের নিরাপত্তা সুরক্ষা, মাস্ক,হ্যান্ড স্যানিটাইরাজ,সহ যাবতীয় সকল কিছু ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য কোনো ব্যবস্থা করে নাই সরকার। এটা খুবই দু:খজনক । একটি স্বাধীন দেশে গণমাধ্যম কর্মীদের এই বিপদে সময় তারা খুবই কষ্ট করছে। বৃষ্টি,রোদ মধ্যে তারা এই মহামারি সময় কাজ করে যাচ্ছে। এই নিরাপত্তা সরকারে দায়িত্ব।

এদিকে,বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য প্রণোদনা সহ সকল সুবিধা দেওয়া দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। এই মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মীদের বেতন দিতে পারছে না টেলিভিশন ও পত্রিকায় মালিকারা। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে জিটিভ, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশসহ কিছু গণমাধ্যম কর্মীদের তাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে।

গণমাধ্যম যদি বন্ধ হয় তাহলে সোশ্যাল মিডিয়া জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করবে এতে সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আমি মনে করি। মহামারি করোনাভাইরাস সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বিশ্বের ২৩ দেশের ৫৫জন গণমাধ্যম কর্মী মারা গেছে (এই তথ্যটি প্রথম দিকে সময়ের)। বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মী হুমায়ুন কবির খোকন এর নাম আছে। দ্যা প্রেস এমব্লেম ক্যাম্পেইন (পিইসি) নামে একটি আন্তজার্তিক সংস্থা থেকে এই তথ্য নেওয়া হয়েছে।

‘আমাদের গণমাধ্যম -আমাদের অধিকার ’ গণমাধ্যম কর্মীদের ফেইসবুক পেইজ তথ্য অনুযায়ী আজ ১লা জুন বিকাল চারটায় পর্যন্ত গণমাধ্যম কর্মী আক্রান্ত সংখ্যা দাঁিড়িয়েছে ২৩৩ জন । মুত্যু হয়েছে ৩ জনের । সুস্থ হয়েছে ৬৪ জন। এর মধ্যে ঢাকায় আক্রান্ত ২০৪ জন এবং ঢাকায় বাইরে আক্রান্ত ২৯জন।

সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। এই পেশার কেটা যায় সারা জীবন। নেশার নিয়ে যারা কাজ করেন তারা জীবনে ইচ্ছা করলে অনেক কিছু করতে পারেন। গণমাধ্যম কর্মীরা অনেক কষ্ট করে সংবাদ সংগ্রহ করে। তারপরও তাদেরকে সম্মান করতে পারি না। সরকারে বিভিন্ন সংস্থা কাছে সংবাদপত্রগুলো পাওনা পরিশোধ করে তাদের গণমাধ্যম কর্মীদের বেতন,বোনাসসহ যাবতীয় সুবিধা ব্যবস্থা ভালো হবে।

তাই পরিশেষে বলতে চাই, করোনাকালে অন্যরা যে প্রণোদনা ও সুযোগ সুবিধা পাইবে গণমাধ্যম কর্মীদের পাওয়ার অধিকার আছে। যদি এটা না করে তাহলে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে বলে আমি মনে করি।

মীর মারুফ তাসিন, শিক্ষার্থী, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া ষ্ট্যাডিজ।