মিডিয়া হাউজগুলো ‘শ্রমশোষণের ফায়ারিং স্কোয়াড’

সময়কে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। এবং  সময় ধরে রাখার কাজটিও জরুরী। এই কাজটি করে থাকে গণমাধ্যম। সাধারন মানুষ যাদের আমরা সংবাদপত্র,বেতার, টেলিভিশন এবং অধুনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভোক্তা, তারা এই কাজটির জন্য  বরাবরই ভরসা রাখতে চান গণমাধ্যমের ওপর। কিন্তু  সেই ভরসা জলে ভেসে যায় পুঁজির দাপটে। গণমাধ্যম হয়ে উঠে এক চোখা দৈত্য। গণমাধ্যমের এই আচরনকেও বহুমাত্রিক দৃষ্টিতে দেখা প্রয়োজন। এই কাজটি  গণমাধ্যমের যে শিক্ষক ও কর্মীরা করে থাকেন, মাসকাওয়াথ আহসান তাদের একজন। কভিড-১৯ কালীন বিশ্ব গণমাধ্যমের আচরণ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা  বলেছেন মাধ্যম সম্পাদক  তুষার আবদুল্লাহ

সাংবাদিকরা ফ্রণ্ট লাইন চলে গেলেন এই মারীতে। সেখানে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান গুলোর সম্পাদকীয় নীতি কতোটা বস্তুনীষ্ঠ ছিল বা তারা নিজ নীতিতে অটল থাকতে পেরেছে?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সেলফি কালচারের তোড়ে মূলধারার মিডিয়ায় কিছুটা প্রদর্শনবাদিতা এসে গেছে; এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই। কিন্তু করোনাভাইরাসের বিভীষিকার সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সেলফিতেও ভাটা পড়েছে। মারীর শুরুর দিকে গণমাধ্যমে পিপিই ও মাস্ক পরে পারফরমিং জার্নালিজমের কিছু প্রবণতা দৃশ্যমান ছিলো। আবার টকশো’তে “আমরা করোনাভাইরাস সম্পর্কে সব জানি; তাই আসুন একাডেমিক আলোচনা করি”; এমন বালখিল্য আচরণ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। কিন্তু কম-বেশি প্রতিটি নিউজ রুমের কালচারই হচ্ছে সংবাদ ও বিশ্লেষণের বাহুল্য ছেঁটে ফেলা। কোন সাংবাদিকের মধ্যে সংবাদ পরিবেশনে বা টকশোতে কমনসেন্সের অভাব লক্ষ্য করা গেলে; নিউজ রুম সে মেদবহুল সাংবাদিকতাকে নির্মেদ করে ফেলে। এ কারণে অল্প কিছু ভুল ভ্রান্তির পরে মিডিয়াকে এখন “দেখানোর প্রবণতা”-কে পিছে ফেলে মানুষ বাঁচানোর “নেপথ্য কর্মী” হবার চিরন্তন অনুশীলনে ফিরে যেতে দেখা যাচ্ছে।

সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমের অবাধ তথ্য প্রবাহতো তথ্য বিভ্রান্তিও ছড়িয়েছে?

সমাজে সব সময় অবাধ তথ্য প্রবাহ থাকে; ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবাধ তথ্য প্রবাহ থাকাটা স্বাভাবিক। না থাকাটাই অস্বাভাবিক। সংবাদ সংগ্রহের মেথডও সমাজের মানুষের সঙ্গে কথা বলা; প্রাপ্ত তথ্য যাচাই বাছাই করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করা। সামাজিক জীবনে সত্য তথ্য যেমন কানে কানে ছড়িয়ে পড়ে; তেমনি বিভ্রান্তিও ছড়িয়ে পড়ে। মূলধারার মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর কোনটি আসল খবর তা নিশ্চিত করে। এখানে কানাকানি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সক্রিয়তায় চিন্তার যে আন্দোলন হয়; তাকে অনুসরণ করে মিডিয়া সেই তথ্যের সিনথেসিস আর এন্টিথিসিসের মাঝ থেকে থিসিস উদ্ধার করে। মিডিয়া যেখানে তথ্যের গেট কিপিং-এ সক্রিয়; সেখানে ফেসবুকের কানাকানিতে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ছে বলে “চিল কান নিয়েছে তাই চিলের পিছে” পুলিশ নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা কমেডি অফ এররস বলে মনে হয়। বরং ফেসবুকের কানাকানিতে যেটা লাভ হয়; সেখানে যদি খবর আসে “অমুক জায়গায় করোনায় একটা মৃতদেহ পড়ে আছে”; এতে কিন্তু আকাশ ভেঙ্গে পড়ছে না। মিডিয়া তখন খবর নিয়ে দেখতে পারে সত্যিই মানুষটি মরে পড়ে আছে কীনা; পুলিশ যেতে পারে মানুষটি বেঁচে আছে কীনা দেখতে; যদি কানাকানি সত্যি হয়; মিডিয়া ও পুলিশ তা কনফার্ম করে। আর যদি তা মিথ্যা গুজব হয়; তাতে তো আর নুহের প্লাবন এসে কারো মসনদ ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে না। বরং করোনাকালে এটা সুসংবাদ যে কনফার্ম করা গেছে; মানুষটি ওখানে মরে পড়ে নেই।

কভিড-১৯ অর্থনীতিতে বিপর্যয় নামিয়ে আনছে। যার প্রভাবতো করোনা পূর্ব বিস্ফোরিত গণমাধ্যমেও পড়বে। করোনা পরবর্তীতে টিকে থাকার লড়াইর কোন পূর্বাভাস দেবেন-

কভিড-১৯ যেখানে গাণিতিকহারে জীবনের শুল্ক নিচ্ছে; সেখানে জ্যামিতিকহারে অর্থনৈতিক ধস নামছে; এটা বলাই বাহুল্য। একারণেই এটা মহামারী। করোনাভাইরাসের সময়ে মানুষের জন্য যেহেতু টিকে থাকার লড়াই জারি রয়েছে; তাই অর্থনৈতিক ধসে মিডিয়ার টিকে থাকার লড়াইটাও পাশাপাশি রয়েছে। মানুষ বাঁচানোর ব্রত নিয়ে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার যেমন জীবনবাজি রেখে কাজ করছেন; সাংবাদিকও এই মানুষ বাঁচানোর ব্রতে জীবন বাজি রেখেই সংবাদ সংগ্রহ করছেন মানুষের কল্যাণে। সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ করোনার জরুরি অবস্থায় ডাক্তারদের জীবন বীমা বা লাইফ ইনশিওরেন্স পলিসি গ্রহণ করছে।

কিন্তু সাংবাদিকদের লাইফ ইনশিওরেন্স পলিসির ব্যবস্থা মিডিয়া উদ্যোক্তারা করছেন কীনা সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোন আভাস নেই। একদিকে সাংবাদিকদের জীবন বিপন্ন; অন্যদিকে মিডিয়া উদ্যোক্তার তহবিল ও আন্তরিকতার সংকট। তাই অনেক মিডিয়ার মৃত্যুর অশনি মেঘ আমরা দেখতে পাই। করোনাকালে মিডিয়া যেহেতু জাতীয় ও জনস্বার্থে কাজ করছে; সরকারের করোনাব্যবস্থাপনার নেসেসারি কন্ডিশন জনগণের স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা হলে সাফিশিয়েন্ট কন্ডিশন হচ্ছে তথ্য-সরবরাহ চেইন সুরক্ষা। তাই জনগণের স্বার্থে সরকারগুলোর উচিত মিডিয়ার পাশে অর্থনৈতিক প্রণোদনা নিয়ে উপস্থিত থাকা। এমন বৈশ্বিক দুর্যোগে মিডিয়ার সম্পাদকীয় নীতি আর কল্যাণমুখী সরকারের করোনা-ব্যবস্থাপনা নীতির মধ্যে কোন রকম বৈরিতা বা কনফ্লিক্ট অফ ইন্টেরেস্ট থাকার কথা নয়। সরকার যদি মানুষ বাঁচাতে চায়; প্রথমে তার প্রয়োজন করোনা সংক্রমণ ও ক্ষুধার তথ্য। আর এ তথ্য তাকে কেবল দিতে পারে মিডিয়া। রাষ্ট্র অকল্যাণকর হলে অবশ্য অন্যকথা।

এখানে করোনার সময়েও গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে বেতন ও চাকরি নিয়ে আতঙ্ক লক্ষ্য করা গেছেবাংলাদেশের গণমাধ্যম নিয়ে করোনাকালে আপনার পর্যবেক্ষণ ?

পৃথিবীর সব দেশে মিডিয়া চলে জব সিকিউরিটি দিয়ে; আর বাংলাদেশে মিডিয়া চলে প্যাশনে। ভারত-পাকিস্তান-জার্মানি- ইটালিতে আপনি যথাযথ সম্মানী ছাড়া সাংবাদিকতা করাতে পারবেন না কাউকে দিয়ে। সম্মানী ছাড়া কোন কবি কবিতা প্রকাশ করতে দেয়না কোন মিডিয়াকে। এই ব্যবস্থাটা বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে মহাজনদের শ্রমশোষণের গ্রামীণ ঐতিহ্য থেকে। বাংলাদেশে দেখবেন মহাজনদের মিডলম্যানরা “আশার সওদাগর” সেজে কৃষক-শ্রমিক-সেলাই-কর্মী থেকে গণমাধ্যমকর্মীকে সম্মানী না দিয়ে শুধু আশা দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়।

মিডলম্যানরাই বাংলাদেশ সমাজের আজকের সফল ও সুখী মানুষ। এই রকম একটি শ্রমশোষণের পাটাতনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের মিডিয়া যেভাবে কভিড ১৯ কাভারেজ দিয়েছে; এ এক পরম বিস্ময়। বাংলাদেশের মিডিয়ার আয়নায় বাংলাদেশ বাস্তবতা স্বচ্ছবসনা করোনা-নর্তকী যেন। যে ডিটেলিং-এর কাজটা বাংলাদেশ মিডিয়া করতে পারে; তা প্রশংসার দাবী রাখে। এতো অল্প সম্মানীতে বিশ্বমানের মিডিয়া আউটপুট একমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব। এখানে একজন রিপোর্টার কভিড কাভারেজ করে অফিসে ফিরে “মানুষ বাঁচানোর রিপোর্ট করে” ঘরে ফিরে গিয়ে শ্রমশোষণের কারণে আমিষহীন নৈশভোজের কালে তার প্রকাশিত রিপোর্টিং টিভিতে দেখতে দেখতে বা নিউজ পোর্টালে পড়তে পড়তে; ভুলে যায় শ্রমশোষণের কথা। মানুষ বাঁচানোর সংকল্প নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এই মিডিয়া মিরাকলকে সম্মানিত করার মতো যথেষ্ট শব্দ-সম্ভার আমার কাছে নেই। কারণ আমি ব্যক্তিগতভাবে আশার সওদাগর হয়ে শ্রমশোষণে অবিশ্বাস করি।

বাংলাদেশের গণমাধ্যম নিয়ে করোনাকালে আপনার পর্যবেক্ষণ ?

এখানে করোনার সময়েও গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে বেতন ও চাকরি নিয়ে আতঙ্ক লক্ষ্য করা গেছে ? বাংলাদেশে “পদ্মানদীর মাঝি” যেমন মহাজনের শ্রমশোষণ ও নিপীড়নের বাস্তবতার মাঝে সবসময় বসবাস করে; “মিডিয়ার মাঝি”দেরও বসবাস করতে হয় অভিন্ন বাস্তবতায়। মিডিয়া মালিকেরা এমনিতেই সাংবাদিকদের মাসের বেতন দেয়া নিয়ে ধানাই-পানাই করেন। এটাই কালচার তাদের।

“কাশ্মিরের নক্সী শালওয়ালা” বাকিতে শাল বিক্রি করে মাস-খানেক পরে ক্রেতার কাছে বাকির টাকা আদায়ে এলে ক্রেতা যেমন টাকা না দিয়ে ছলিম বুঝ দিতে চেষ্টা করে; মিডিয়া হাউজের মহাজনের মিডলম্যান একাউন্ট্যান্ট ঠিক তেমনি সাংবাদিক মাস শেষে প্রাপ্য বেতন নিতে এলে কাঁচু-মাঁচু করে; পারলে ধমকও দেয়। এই কাঁচু মাঁচু করার দক্ষতাটাই “মালিকের লোক”দের চাকরির যোগ্যতা। ফলে বলা যায় করোনাভাইরাসের হেড-অফিস মিডিয়া মহাজনের মাথায় থাকে। করোনা-কালের আগে কী পরে বেতন না দেবার বা চাকরি খেয়ে নেবার ভাইরাস মহাজনকে অতন্দ্র রাখে। রাতে ঘুম না হওয়ায়; কেউ একটু শক্ত করে পাওনা বেতন দাবি করলে; মহাজন তাকে “ফায়ার” করে দেয়। শ্রমশোষণের ফায়ারিং স্কোয়াড যেন মিডিয়াহাউজগুলো।

এই সময়টায় দক্ষিণ এশিয়ার গণমাধ্যম গুলোর মধ্যে কোন আচরণ ও গুনগত পার্থক্য লক্ষ্য করেছেন ?

এই সময়টায় দক্ষিণ এশিয়ার গণমাধ্যম গুলোর মধ্যে কোন আচরণ ও গুনগত পার্থক্য লক্ষ্য করেছেন ? দক্ষিণ এশিয়ার কিছু রয়েছে পেশাদার মিডিয়া হাউজ যারা মিডিয়া এথিকস মেনে চলে। এদের করোনাকাভারেজের গুণগতমান ভালো। এদের পরিবেশিত তথ্য জনবান্ধব। সংবাদের মান বিচার করে, ভারতের আনন্দবাজার, এনডিটিভি, বাংলাদেশের প্রথম আলো, সময় টিভি আর পাকিস্তানের ডন পত্রিকা ও জিওটিভি আমার ব্যক্তিগত অনুসরণের মাধ্যম। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার সরকারী মাধ্যম ও সরকার সমর্থিত মাধ্যমগুলো করোনাকালে সুগন্ধী বাতাবি লেবুর চাষের খবর দিয়ে ছদ্ম ফিল-গুডের কৌতুকপ্রদ সম্প্রচার অব্যাহত রেখেছে। বিটিভি-দূরদর্শন-পিটিভি দেখলে বোঝা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার শিশুরা ছোট বেলায় একই রকম রূপকথার গল্প শুনেছিলো “আশার সওদাগর” নানীমার কাছে। আর দক্ষিণ এশিয়ায় “হীরক রাজার দেশে”র ক্তৃত্ববাদী মনোভাবের রাষ্ট্রগুলোতে; “তথ্য গোপন”, “তথ্য অস্বীকার” থেমে নেই এই ভয়াল করোনাকালেও। দক্ষিণ এশিয়ার সরকারগুলো সবসময় তাদের কাজের গুণগত মানের চেয়ে “নিজেদের ইমেজ” নিয়ে অধিক সচেতন।

সারাক্ষণ নিজের ইমেজের কথা ভাবলে পৃথিবীর যে কোন মানুষ একসময় মানসিক ভারসাম্য হারায়; সে সমালোচনা বিন্দুমাত্র শুনতে চায় না; কেউ সত্য বললেও সেটা তার কাছে গুজব বলে মনে হয়। লক্ষ্য করুন এই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নীতি নির্ধারকেরা মাত্র দু’মাস আগেও বলেছিলেন, করোনা তেমন কিছু নয়। মিডিয়া তখন করোনার সমূহ বিপদ সম্পর্কে যে বিশেষজ্ঞ অভিমত প্রচার করেছিলো; তাকে গুজব বলে উড়িয়ে দিতো ক্ষমতাসীনদের প্রেস উইং-এর লোকেরা। অথচ আজ কিন্তু করোনার সেই ভয়াল রূপটি দক্ষিণ এশিয়ায় সুস্পষ্ট। তার মানে “সরকারগুলো যাকে গুজব বলে” সেটাই দুমাস পরের বাস্তবতা হয়ে ধরা পড়ে।

করোনা-ব্যবস্থাপনার অক্ষমতা ঢাকতে চীন-রাশিয়ার মতো কতৃত্ববাদি দেশকে যেভাবে করোনায় মৃতের সংখ্যা লুকাতে দেখা গেছে; সেই একই প্রবণতা দক্ষিণ এশিয়াতেও বর্তমান। অক্ষমতা ধামাচাপা দেয়ার এই আত্মঘাতি ঐতিহ্য মিডিয়ার চলার পথটিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে চলেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সরকার সমর্থকরা করোনায় মৃতের সংখ্যা সম্পর্কে মিডিয়ার “সত্য অনুসন্ধান ও প্রকাশের আকাংক্ষা”-কে টুটি চেপে ধরার চেষ্টা করছে। রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সক্রিয় আছে মিডিয়াকে কিছুটা নিষ্ক্রিয় করতে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের এখন কতৃত্ববাদের ভূমি-মাইন পাতা পথে হেঁটে কোভিড১৯-এর সংবাদ সংগ্রহ করতে হচ্ছে। কল্যাণকর রাষ্ট্রে মানুষের একমাত্র সংকট কোভিড ১৯; কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মানুষের সংকট ত্রিবিধ, করোনাভাইরাস, ক্ষুধা আর কতৃত্ববাদের নিষ্ঠুরতা।

মাধ্যম: সময় দেবার জন্য ধন্যবাদ  ।
মাসকাওয়াথ আহসান: মাধ্যমকেও ধন্যবাদ।