সময়ের প্রয়োজনে ‘মাধ্যম’

সময়ের প্রয়োজনে ‘মাধ্যম’-এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ২০০৯ এ আমাদের মনে হয়েছিল  নিজেদের কথা বলার জন্য এবং গণমাধ্যম গণমাধ্যমের কাছে যা প্রকাশ করে, তার দৃশ্যমান দিকটির যেমন বিশ্লেষণ দরকার, তেমনি অন্দরের কথা গুলোও সামনে আসা উচিত। এছাড়া গণমাধ্যম ভোক্তাকে যে চোখ দিয়ে দুনিয়াকে দেখায়। ঘটনার বয়ান দেয়, সেই দেখাই শেষ দেখা নয়। ঐ চোখের ওপর আস্থা রাখা যায় না। এই উপলব্ধি আমাদের নয়, ভোক্তাদের।

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় গণমাধ্যম ভোক্তাকে আরো বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিচ্ছিল। টেলিভিশন, পত্রিকা এবং তখনকার অনলাইন গুলো সরকারের নির্দেশনা, পরামর্শতো অনুসরণ করেছেই, তার চেয়ে তারা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ রক্ষায় মনোযোগী হয়ে উঠে। কারন গণমাধ্যম মাত্রই কোন না কোন শিল্প গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক প্রভাবশালীর পৃষ্ঠপোষকতায় চলে। এই বাস্তবতাতেই গণমাধ্যম কর্মীরা আমরা মাধ্যম প্রকাশ করি। ২০০৯-এর ১৪ এপ্রিল। প্রতি দুই মাসে আমরা একটি সংখ্যা প্রকাশ করতে থাকি। গণমাধ্যমের কর্মী, শিক্ষার্থী , শিক্ষক এবং ভোক্তারা মাধ্যম’-এর সঙ্গে যুক্ত হন।

লেখা, সমালোচনা ও পাঠের মাধ্যমে সকলের সঙ্গে মাধ্যম’এর সম্পর্ক তৈরি হয়। কিছু অনিবার্য কারনে আমরা মাধ্যমের প্রকাশনা অব্যাহত রাখতে পারিনি। তবে গণমাধ্যমের সহকর্মী, শিক্ষক , শিক্ষার্থী এবং পাঠকদের কাছ থেকে নিরন্তর তাড়া ছিল মাধ্যম প্রকাশের। বাস্তবতা হলো কাগজে প্রকাশ করে সকলের কাছে মাধ্যম পৌঁছে দেয়ার সাধ্য আমাদের নেই। আবার দুই মাস অপেক্ষায় থাকলে অনেক ঘটনা বা প্রতিপাদ্য বাসি হয়ে যায়। তাই মাধ্যম’কে অনলাইনে নিয়মিত করার উদ্যোগ নেয়া হলো। আশাকরি মাধ্যম অনলাইনে পাঠকের সঙ্গে থাকবে ঘটনার বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ নিয়ে।

মাধ্যম’কে ফিরিয়ে আনার জন্য সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি নমিত হয়ে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

সম্পাদক