করোনাকালে বদলে যাওয়া সাংবাদিকতা

রাজীব নন্দী

সাংবাদিকতার মানেই হচ্ছে মানুষকে নতুন কিছু বলা, এমন কিছু বলা যেটা মনোযোগ আকর্ষণ করবে, তাদের ধরে রাখবে। এখন সারা পৃথিবীতেই করোনাক্রান্তি চলছে। রোগতত্ত্ব, সমাজবিজ্ঞান, যোগাযোগবিদ্যা আর চিকিৎসাশাস্ত্রের সব সমীকরণ উল্টে দিয়ে নয়া রোগের বিশ্বায়ন জারি হয়েছে পৃথিবীতে। এই অভিনব যুদ্ধের আঁচ পড়েছে সমাজের সব দিকেই। অদৃশ্য শত্রুর সাথে অভিনব এক যুদ্ধ চলছে। বাদ পড়েনি সাংবাদিকতা, নিউজপেপারের ফ্রন্ট পেইজেও রেখে গেছে কোভিড-১৯ তথা করোনাভাইরাসের প্রভাব। জনস্বাস্থ্যের এই বৈশ্বিক সংকট উঠে আসছে দেশে দেশে সংবাদপত্রগুলোর প্রথম পাতায়।

 

আরও পড়ুন-


> ‘নিউ নর্মাল জার্নালিজম’ ইন দ্যা টাইম অফ করোনা

‘রোশনি’। একটি উর্দু খবরের কাগজ। কাশ্মীর থেকে প্রকাশিত হয় সংবাদপত্রটি। সম্প্রতি তাদের কাগজের সঙ্গেই প্রত্যেক ক্রেতাকে বিনামূল্যে দেওয়া হল একটি করে মাস্ক। কাগজের প্রথম পাতাতেই মাস্কটি লাগানো ছিল। পাশে সতর্কবার্তা – ‘মাস্ক কা ইস্তেমাল জরুরি হ্যায়।’ এই উর্দু দৈনিকটি বহুল প্রচারিত নয়।

 

কিম্তু সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাদের এই ভূমিকা দেশের বহু মানুষের কাছেই ‘রোশনি’ নামটি পৌঁছে দিল। করোনা সংক্রমণ রোধে মাস্ক পরা অত্যাবশ্যক। কিন্তু সেই সচেতনতা দেশজুড়ে বহু মানুষের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে না। এমত পরিস্থিতিতে অভিনব এক কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলল এই সংবাদপত্র!

লেখক: রাজীব নন্দী
(চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। সমন্বয়ক, ইন্দো-বাংলা মিডিয়া এডুকেটর্স নেটওয়ার্ক,rajibndy@gmail.com)